নতুন সন্তান জন্মের পর বাবা-মায়ের সবচেয়ে আনন্দময় কাজ হলো তার নাম রাখা। বিশেষ করে মেয়েদের নাম রাখার সময় সবাই এমন একটি নাম খোঁজেন, যা শুধু সুন্দর শোনায় না, বরং এর অর্থও গভীর ও ইসলামিক মূল্যবোধে ভরা হয়। তাই অনেকেই জানতে চান র দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম কী কী হতে পারে।
বাংলা ও আরবি ভাষার মেলবন্ধনে অনেক নাম রয়েছে যা ‘র’ অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এবং ইসলামী অর্থ বহন করে। যেমন— রাবেয়া (অর্থ: চতুর্থ, বিখ্যাত মহিলা সাহাবিয়ার নাম), রাইহানা (অর্থ: সুগন্ধি ফুল), রুবিনা (অর্থ: মূল্যবান পাথর), রুখসানা (অর্থ: সুন্দর মুখের অধিকারিণী), রাহিলা (অর্থ: যাত্রী বা ভ্রমণকারী), রিমশা (অর্থ: ফুলের তোড়া), রুহাইদা (অর্থ: কোমল ও শান্ত স্বভাবের মেয়ে), রাইসা (অর্থ: নেতা বা প্রধান নারী), রুকাইয়া (অর্থ: উন্নত বা উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন)।
এই নামগুলো শুধু উচ্চারণে সুন্দর নয়, প্রতিটিই ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিবাচক ও মর্যাদাপূর্ণ অর্থ বহন করে। অনেক ইসলামিক পরিবার নাম রাখার সময় এমন শব্দ বেছে নেন যা কুরআন বা আরব ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে নামের মধ্যে ধর্মীয় ভাব, পরিচ্ছন্নতা ও স্নেহের ছোঁয়া থাকে।
মেয়েদের নাম রাখার সময় শুধু শব্দের সৌন্দর্য নয়, অর্থের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। কারণ ইসলাম অনুসারে নামের মাধ্যমে শিশুর জীবনে শুভ অর্থের প্রভাব পড়ে। তাই নাম বেছে নেওয়ার আগে তার অর্থ ভালোভাবে জানা উচিত।
সংক্ষেপে বলা যায়, ‘র’ দিয়ে শুরু হওয়া ইসলামিক নামগুলো যেমন সুমধুর, তেমনি অর্থবহ ও মার্জিত। এ ধরনের নাম শিশুর ব্যক্তিত্বে কোমলতা, ভদ্রতা ও নৈতিকতার প্রতিফলন ঘটায়, যা ইসলামী জীবনধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।